বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক কাঠামো আকৃষ্ট করছে বিশ্বকে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কোনো ইস্যু নিয়ে চাপ দিতে নয় বরং বিনিয়োগ বাড়াতেই আগ্রহী ওয়াশিংটন। দেশটির গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিদের সফর সেই বার্তাই দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের অংশীদারিত্ব বাড়লে তাতে চীনের শঙ্কার কোনো কারণও দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিশেষ উপদেষ্টা রিয়ার অ্যাডমিরাল এইলিন লউবেখারের সফরের রেশ কাটতে না কাটতেই শনিবার সংক্ষিপ্ত এক সফরে ঢাকায় আসেন দেশটির সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু।
২৪ ঘণ্টার ব্যস্তমত সময় কাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরেও গেছেন ডোনাল্ড লু। এখন চলছে ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক নিয়ে পর্যালোচনা। সফরে ডোনাল্ড লু’র সুস্পষ্ট বার্তা, দুদেশের বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। সায় আছে ঢাকারও। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, মানবাধিকারসহ অমীমাংসিত ইস্যুতে ইতিবাচক মনোভাবই দেখিয়েছেন লু।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেছেন, আগামীতে বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য পরাশক্তি দেশের আগ্রহ আরও বাড়বে। এর কারণ, এখানকার অর্থনৈতিক অগ্রগতি।
তিনি জানান, এদেশে যুক্তরাষ্ট্রের যেমন বিনিয়োগ বেশি, তেমনই অবকাঠামো উন্নয়নে চীনও ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। সম্পর্কের অংশীদারিত্বের ক্ষেত্র আলাদা, তাই ঢাকা-ওয়াশিংটনের যোগাযোগ বাড়লে বেইজিংয়ের দুশ্চিতার কারণ দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা।
ডোনাল্ড লু’র ঢাকা সফরে নতুন দ্বার উন্মোচন হয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা। তারা মনে করেন, অভ্যন্তরীণ হস্তক্ষেপ নয়, নিজেদের বিনিয়োগ সুরক্ষিত রাখতেই যুক্তরাষ্ট্র এদেশের নির্বাচন নিয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকে।